Friday, এপ্রিল ১২, ২০২৪

সন্তা*ন ভু’ল স*ম্প*র্কে জ’ড়িয়ে প*ড়লে অভিভাবকের যা করণীয়

ইউরোপ বাংলা অনলাইন রিপোর্টঃ   প্রায়ই শোনা যায় স’ন্তান তার পছন্দ অনুযায়ী পরিবারের অজান্তেই সম্প’র্কে জড়িয়েছে। বি’ষয়টি পরে বুঝতে পারে পরিবার। ঠিক সেই সময়েই বাধে আপ’ত্তি। পরিবার থেকে কখনও সেই সম্প’র্ক মেনে নিতে চায় না। এদিকে স’ন্তানও সম্প’র্ক থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না। আবারও পরিবার থেকে বুঝতে পারে সম্প’র্কের বিপরীতে থাকা স’’ঙ্গী একদমই ভালো না। যে কারণে পরিবারের কিশোর বা কি’শোরী মাঝে মধ্যেই লুকিয়ে কা’ন্না করে।

কিন্তু স’ন্তানও এ বি’ষয়ে পরিবারের কারো স’’ঙ্গে কিছু আলাপ-আলোচনা করে না।বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক সম্প’র্কের মধ্যেই জটিলতা সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে টিনেজে গড়ে উঠা সম্প’র্কে বিভিন্ন সমস্যা থেকেই যায়।

অল্পব য়সীদের মধ্যে ভালোবাসার অনুভূ’তি নতুন হওয়ায় তারা অত্যন্ত আকর্ষণ ও উ’ত্তেজিত হয়ে থাকে। কিন্তু এটা জানে না যে, বিপরীত লি”ঙ্গের মানুষকে নতুন নতুন চেনা-জানার মধ্যে যেমন মজা রয়েছে ঠিক তেমনই কিছু জটিলতাও থাকে।

ছেলে-মে’য়ে এই ব’য়সে সম্প’র্ক ও সম্প’র্কের বি’ষয়ে পরিবারের চিন্তা-ভাবনা নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তায় থাকেন। তাই সম্প’র্কে থাকা অবস্থায় স’ন্তানদের স’’ঙ্গে কোনও প্রকার দুর্ব্যবহার করা একদমই উচিত নয়।

এই সময় ঠাণ্ডা মাথায় বুঝাতে হবে তাদের। প্রকৃত সম্প’র্ক কেমন হয় তা বুঝিয়ে বলতে হবে তাদের। স’ন্তান কখনও তার সম্প’র্কের সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে চাইবে না আপনার স’’ঙ্গে।

এ ক্ষেত্রে ধীরে ধীরে আপনি নিজেই স’ন্তানের স’’ঙ্গে সম্প’র্কে থাকা পারস্পরিক শ্র’দ্ধা ও ভালোবাসার বি’ষয়ে কথা বলা শুরু করুন। স’ন্তান নিজ থেকে বুঝতে পারবে তাদের গড়ে উঠা সম্প’র্কে ফাটল রয়েছে।স’ন্তানকে এমনভাবে বুঝাতে হবে যেন আপনি সবসময় তার পাশেই রয়েছেন। এমনকি অনুভূ’তিতে আ’ঘা’ত লাগলে স’ন্তান যেন আপনার বুকে মাথা রেখে কাঁদতে পারে এমন সম্প’র্ক তৈরি করে নিন। একবার যদি স’ন্তান বুঝতে পারে

আপনার এই মনমা’নসিকতার বি’ষয়টি তাহলে সে নিশ্চিত আপনার স’’ঙ্গে সকল কিছু আলোচনা করবে।প্রতিটি স’ন্তানই মা-বাবা থেকে তার ভালোবাসার জীবন লুকিয়ে রাখতে চাইবে।এ নিয়ে অবাক হওয়ার কিছু নেই। টিনেজের ছেলে-মে’য়েরা এমনটা করেই থাকে।টা চিরন্তন সত্য যে, ‘দিন শেষে খা’রাপ সম্প’র্ক এবং সম্প’র্কে দুঃখ পাওয়া জীবনের অ’’ঙ্গ। প্রতিটি মানুষই প্রেমে আ’ঘা’তপ্রা’’প্ত’। স’ন্তানের এই ব’য়সে এই ব্য’থা নতুন পরিবর্তন নিয়ে আসবে তার জীবনে।

সে নতুন করে অনেক কিছু শিখবে ও জানবে। ভবি’ষ্যতে পরবর্তী কোনো সম্প’র্কে জড়ানোর আগে সে দ্বিতীয়বার অন্তত ভাববে। অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়ার চেষ্টা করবে। তবে অ’ভিভাবকদের খেয়াল রাখতে হবে স’ন্তান যেন মা’নসিকভাবে ভে’ঙে না পড়ে এবং কোনোভাবে নিজের ক্ষ’তির চেষ্টা না করে। খুব বেশি সমস্যা হলে প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

ইউরোপ বাংলা অন্যান্য সংবাদ পড়ুনঃ

ইউরোপ বাংলা

ইউরোপ বাংলা

একজন ফ্রিল্যান্স রাইটার, ব্লগার, এডুকেশনাল কনসালট্যান্ট, ক্যারিয়ার কাউন্সিলর, উদ্যোক্তা।

Related Posts

Next Post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

I agree to the Terms & Conditions and Privacy Policy.

ফেসবুকে ইউরোপ বাংলা