Tuesday, এপ্রিল ২৩, ২০২৪

আদালতে ৬০ শতাংশ ভাড়া বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন স্থগিত চেয়ে রিট

ডেস্ক রিপোর্ট : একজন নিম্ন আয়ের মানুষেরা দৈনিক আয় সর্বোচ্চ ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা , এখন উদধারন স্বরূপ এই লোক যদি গাজীপুর থেকে মতিঝিলে যান হয়তো তার দৈনিক ইনকামের ৯০ ভাগই ভাড়ার পেছনে ব্যয় করতে হবে। ইতিমধ্যে করোনা ভাইরাসের কারণে সবকিছু বন্ধ থাকায় এই নিম্নবিত্তের মানুষগুলো নিঃস্ব হয়ে আছেন এমতাবস্থায় সরকারের এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন দেয়া এবং এর বিপরীতে সাধারণ জনগণ তথা নিম্নআয়ের মানুষগলোর জন্য  কোন ভতুর্কি  বা জন্য কোনো প্রকার পদক্ষেপ না নেওয়া সরকারকে একটি মারাত্মক ভুল সিদ্ধান্ত হতে পারে। এবং জনগণের মনে ক্ষোভের সঞ্চার হতে পারে।
 সেই কারণে মানবাধিকার কর্মী এবং আইনজীবী বাস ও মিনিবাসের ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়িয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে প্রজ্ঞাপনটির কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। বিচারপতি জে বি এম হাসানের ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ ই-মেইলের মাধ্যমে ওই রিটটি জমা দেন আইনজীবী মো. হুমায়ন কবির।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) বাস-মিনিবাসের ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়িয়ে ৩১ মে ওই প্রজ্ঞাপন জারি করে। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মানবাধিকার সংগঠন ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশনের পক্ষে সংগঠনের নির্বাহী সভাপতি ও আইনজীবী মো. হুমায়ন কবির ওই রিটটি করেন।
রিটের বিষয়টি জানিয়ে পরে আইনজীবী মো. হুমায়ন কবির বলেন, দেশের নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত অধিকাংশ মানুষের যানবাহন হচ্ছে বাস ও মিনিবাস। অথচ করোনাকালে যখন সাধারণ মানুষ আর্থিক সংকটে ভুগছে, এমন সময়ে বাস ও মিনিবাসের ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়িয়ে বিআরটিএ প্রজ্ঞাপনটি জারি করে। যেখানে বলা হয়, বর্তমান ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ৬০ ভাগ ভাড়া বৃদ্ধি করা হলো। এই ভাড়া বৃদ্ধি অযৌক্তিক, মানুষের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী ও নিপীড়নমূলক পদক্ষেপ বলে রিটে বলা হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার রিটের ওপর শুনানি হতে পারে বলে আশা করেন তিনি।
এখন দেখার বিষয় আদালতে এ বিষয়ে কি সিদ্ধান্ত নেন, তবে একটি বিষয় লক্ষণীয় যে জনস্বার্থমূলক বিষয়ে আদালত সবসময়ই জনগণের পক্ষে রায় দিয়ে থাকেন তবে আদতে জনগণ তেমন কোনো সুফল পান না। তোর আশা করা হচ্ছে বর্তমানে এক মানবিক পরিস্থিতি আদালত সঠিক সিদ্ধান্ত দিবেন এবং সরকারও এ বিষয়টি বিবেচনায় নেবেন।
ফরিদ আহমেদ পাটওয়ারি

ফরিদ আহমেদ পাটওয়ারি

আমি প্রবাসী বাংলাদেশী হিসেবে পর্তুগালে বসবাস করছি। এখানে জীবন-জীবিকার পাশাপাশি পর্তুগিজ এবং বাংলাদেশ কমিউনিটিতে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে যুক্ত রয়েছি। পর্তুগালের পথচলা ২০১৫ সালে তবে এর পূর্বে বাংলাদেশে একটি স্বনামধন্য রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাহী হিসেবে কর্মরত ছিলাম। শিক্ষাজীবন ঢাকা কলেজ থেকে ২০০৪ সালে স্নাতক ডিগ্রি এবং আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং বলাখাল জে এন হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক । বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট থেকে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পোস্ট গ্রাজুয়েট কোর্স তাছাড়া শিক্ষাজীবন এবং কর্মজীবনে হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট, ব্যবস্থাপনা, আইটি সম্পর্কিত বিভিন্ন স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে যুক্ত ছিলাম। ২২ বছরের কর্মজীবন কেটেছে মিডিয়া, হোটেল ম্যানেজমেন্ট, আইটি,  সেলস এন্ড মার্কেটিং এবং মার্চেন্ডাইজার হিসেবে। ফটোগ্রাফি, লেখালেখি, ভ্রমণ এবং টেকনোলজির প্রতি আগ্রহ রয়েছে শখ ও বলা যায়। এরমধ্যে লেখালেখিটা শক্ত হাতে ধরেছি, সুন্দর একটা পরিবর্তন এর আশায়। জীবনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সুন্দর এবং শান্তিপূর্ণ পৃথিবী গঠনে মানুষের সহযোগিতায় কাজ করে যাওয়া।

Related Posts

Next Post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

I agree to the Terms & Conditions and Privacy Policy.

ফেসবুকে ইউরোপ বাংলা