Tuesday, ডিসেম্বর ৫, ২০২৩

পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে করোনা-১৯ সংক্রমণ বাড়ছে !

 ডেস্ক রিপোর্ট : পর্তুগাল  সরকার করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে সাফল্যের অবদান রাখছে সে কারণেই তাদের জীবনযাত্রা ধাপে ধাপে স্বাভাবিকিকারণ হচ্ছে ইউরোপের অভ্যন্তরে এবং কিছু কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু করা হয়েছে।তুলনামূলকভাবে প্রতিদিন আক্রান্তের সংখ্যা পার্শ্ববর্তী দেশগুলো থেকে অনেক কম ।
তবে দেশের অভ্যন্তরে বর্তমানে গত মে মাসের ৪ তারিখে প্রথম ধাপের লকডাউন খুলে দেওয়ার পর অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে লিসবোয়া ই ভাল ডো টেজো জেলায় (লিসবন শহর এবং আশেপাশের অঞ্চল) এরিয়া করোনা ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা তুলনামূলক ভাবে অনেক বেশি , এমন কিছু কিছু  এলাকায় গত এক সপ্তাহে  আক্রান্তের হার পূর্বের আক্রান্তের হারের চেয়ে ১০০ শতাংশের উপরে।
পর্তুগালের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্য মতে, গত ২৪শে মে থেকে ২৮ শে মে পর্যন্ত গত পাঁচ দিনে পর্তুগাল জুরে ১,১২৫ জন করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হয় এরমধ্যে ১,০২৮ জন লিসবোয়া (লিসবন)জেলা তথা জোনের অন্তর্গত।
লিসবন সিটি সেন্টারে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৬% হলেও অডিভেলাস,  আমাদরা, লরেশ, বাড়েরেইরো, ছেইসাল, মনতিজো, মইতা অঞ্চলগুলিতে গত এক সপ্তাহে পূর্বের তুলনায় ১০০% বেশি হারে আক্রান্ত হচ্ছে। গত পাঁচ দিনে সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের হার বেড়েছে বিশেষ করে লরেশ ১২৭.৮% , বাড়েরেইরো ১১৬.৭%, আমাদরা ১১৬.৪%, মইতা ১১৬.২% , এবং অডিভেলাস ১০৭.৪%
লিসবন শহর অর্থাৎ সেন্ট্রাল লিসবন এ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে আক্রান্তের সংখ্যা সবার শীর্ষে এ পর্যন্ত ২,২৯০ জন আক্রান্ত হয়েছে।
গতকাল লিসবনে নতুন করে বাংলাদেশি নাগরিক আক্রান্ত হওয়ার পাওয়া গেছে , এমতাবস্থায় যতোটুকু সম্ভব কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্বাভাবিক কর্মকান্ড পরিচালনা বা অপ্রয়োজনীয় সকল প্রকার একটিভিটি বাতিল করে নিরাপদে থাকার অনুরোধ করা হল।
সুতরাং একটি বিষয় প্রতীয়মান হচ্ছে যে লকডাউন খুলে দেওয়ার ফলে শহর এলাকায় চলাচল বেড়ে যাওয়ায় সংক্রমণ এর পরিমাণ বাড়ছে এই অবস্থায় লিসবন শহর তথা আশে পাশের শহরে বসবাসরত নাগরিকদের আরো সচেতন ভাবে চলাচল এবং  দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করলে হয়তোবা করোনা ভাইরাস সংক্রমণ কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

পর্তুগালের আরো খবর – 

ইউরোপ বাংলা। এফএপি
ফরিদ আহমেদ পাটওয়ারি

ফরিদ আহমেদ পাটওয়ারি

আমি প্রবাসী বাংলাদেশী হিসেবে পর্তুগালে বসবাস করছি। এখানে জীবন-জীবিকার পাশাপাশি পর্তুগিজ এবং বাংলাদেশ কমিউনিটিতে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে যুক্ত রয়েছি। পর্তুগালের পথচলা ২০১৫ সালে তবে এর পূর্বে বাংলাদেশে একটি স্বনামধন্য রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাহী হিসেবে কর্মরত ছিলাম। শিক্ষাজীবন ঢাকা কলেজ থেকে ২০০৪ সালে স্নাতক ডিগ্রি এবং আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং বলাখাল জে এন হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক । বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট থেকে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পোস্ট গ্রাজুয়েট কোর্স তাছাড়া শিক্ষাজীবন এবং কর্মজীবনে হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট, ব্যবস্থাপনা, আইটি সম্পর্কিত বিভিন্ন স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে যুক্ত ছিলাম। ২২ বছরের কর্মজীবন কেটেছে মিডিয়া, হোটেল ম্যানেজমেন্ট, আইটি,  সেলস এন্ড মার্কেটিং এবং মার্চেন্ডাইজার হিসেবে। ফটোগ্রাফি, লেখালেখি, ভ্রমণ এবং টেকনোলজির প্রতি আগ্রহ রয়েছে শখ ও বলা যায়। এরমধ্যে লেখালেখিটা শক্ত হাতে ধরেছি, সুন্দর একটা পরিবর্তন এর আশায়। জীবনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সুন্দর এবং শান্তিপূর্ণ পৃথিবী গঠনে মানুষের সহযোগিতায় কাজ করে যাওয়া।

Related Posts

Next Post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

I agree to the Terms & Conditions and Privacy Policy.

ফেসবুকে ইউরোপ বাংলা