Wednesday, এপ্রিল ২৪, ২০২৪

মুক্তিযুদ্ধের অর্জন বিসর্জন দিচ্ছে সরকার: গণফোরাম

ইউরোপ বাংলা ডেস্ক : গণফোরাম একাংশের সভাপতি মোস্তফা মোহসীন মন্টু বলেছেন, মানুষের মুখে কোনো ঈদের আনন্দ ছিল না। জনগণ ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দামের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, বিদ্যুতের লোডশেডিং, প্রশাসনের নিরীহ মানুষের ওপর হামলা-মামলা, হেলমেট বাহিনীর অত্যাচার, সর্বোপরি এই অবৈধ সরকারের দুঃশাসন সাধারণ মানুষের মুখের হাসি কেড়ে নিয়েছে।

শনিবার (২৩ জুলাই) অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রত্যয়ে গণফোরাম শীর্ষক আলোচনা সভা ও ঈদ পুনর্মিলনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কধা বলেন। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নসরুল হামিদ মিলনায়তনে আয়োজন করা হয়।

মোস্তফা মোহসীন মন্টু বলেন, কী আশ্চর্য, শুধু বিদ্যুৎ খাতে ৭০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ পেতে!, যে টাকা দিয়ে প্রায় সাতটা পাওয়ার প্লান্ট করা যেত। কার পেটে এই টাকা গেছে? জবাব দিতে হবে। বিদ্যুৎ মন্ত্রীকে জবাব দিতে হবে জনগণের কাছে। চুরি চুরি, মহাচুরির রাজত্ব কায়েম হয়েছে চারদিকে। মুক্তিযুদ্ধের অর্জন চুরির মাধ্যমে বিসর্জন দিচ্ছে দুর্নীতিবাজ সরকার।

তিনি বলেন- ২০১৪ সালে ১৫৪টি আসন দখল করলো বিনা নির্বাচনে। আসলে সেটি হয়েছিল সাজানো নির্বাচন। ২০১৮ সালে মধ্যরাতের নির্বাচনে ক্ষমতা দখল করে। পৃথিবীর কোথাও এমন কলঙ্কিত ইতিহাস নেই। দেশের বর্তমান ক্রান্তিকাল উত্তরণে একটাই উপায়, সব রাজনৈতিক দলের ঐক্যের মাধ্যমে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা। সবাইকে দেশ ও জাতির স্বার্থে বুকে সাহস নিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রাজপথে লড়াইয়ে নামতে হবে ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গণফোরাম ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ রওশন ইয়াজদানী ও সঞ্চালনা করেন গণফোরাম ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম।

আরও বক্তব্য রাখেন গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাড. মহিউদ্দিন আব্দুল কাদের, সভাপতি পরিষদ সদস্য আব্দুল হাসিব চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লতিফুল বারী হামীম, তথ্য ও গণমাধ্যম সম্পাদক মুহাম্মদ উল্লাহ মধু, ছাত্র সম্পাদক মো. সানজিদ রহমান শুভ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিবুর রহমান বুলু, ঢাকা জেলা সভাপতি আবদুল হামিদ মিয়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সিনিয়র সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান ঝান্টু, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ফারুক হোসেন, কামাল উদ্দিন সুমন , মশিউর রহমান বাবুল, নূর-নবী, ইসমাঈল সম্রাট, শেখ শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

Related Posts

Next Post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

I agree to the Terms & Conditions and Privacy Policy.

ফেসবুকে ইউরোপ বাংলা