Friday, এপ্রিল ১২, ২০২৪

সাংবাদিকদের মানবকল্যাণে অবদানের জন্য ইইউ লরেঞ্জো নাতালী পুরস্কার

ইউরোপ বাংলা ডেস্কঃ সাংবাদিকতা পেশাটি কত গুরুত্বপূর্ণ তা এক কথায় বলে বোঝানো সম্ভব নয় সাংবাদিকদেরকে বলা হয় একটি দেশের চতুর্থ স্তম্ভ। সাংবাদিকগণ মানব জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে , ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে সমাজ রাষ্ট্র এমনকি বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং সর্বাঙ্গীণ বিষয়ে সামঞ্জস্য বিধান করার জন্য সাংবাদিকগণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন।

সাংবাদিকদের সম্মান এবং উৎসাহ প্রদান করার জন্য ইউরোপিয়ান কমিশনের ডিরেক্টরেট ফর ইন্টার্নেশনাল পার্টনারশিপ (ডিজি-আইএনটিপিএ) ১৯৯২ সালে লরেঞ্জো নাতালি মিডিয়া পুরস্কার ঘোষণা করেন যা প্রতিবছর কৃতিত্বপূর্ণ সংবাদ পরিবেশনের সাংবাদিকদের প্রদান করা হচ্ছে,  যারা তাদের সংবাদের মাধ্যমে তুলে নিয়ে আসছেন অসমতা, দারিদ্রতা, শিক্ষা, টেকসই উন্নয়ন, পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য , আবহাওয়া সংক্রান্ত, ডিজিটাল, চাকুরী এবং কর্মসংস্থান, শিক্ষা এবং দক্ষতার উন্নয়ন,  অভিবাসন,  স্বাস্থ্য, শান্তি, গণতন্ত্র এবং মানবাধিকার সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো।

তিনটি ক্যাটাগরিতে আবেদন করা যাবে প্রথমটি হলো (১)গ্র্যান্ড প্রাইজ: উন্নয়ন এবং সহযোগিতা নিয়ে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অন্যতম অংশীদার দেশের মিডিয়া ভিত্তিক  প্রকাশিত প্রতিবেদন (২)ইউরোপ প্রাইজ: ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ভিত্তিক মিডিয়া দ্বারা প্রকাশিত প্রতিবেদন (যুক্তরাজ্য বাদে) (৩) সেরা উদীয়মান সাংবাদিক পুরস্কার: 30 বছরের কম বয়সী সাংবাদিকদের জন্য যাদের রিপোর্ট ইউনিয়ন ভিত্তিক মিডিয়া দ্বারা প্রকাশিত হয়েছিল বা উন্নয়ন এবং সহযোগিতার বিষয়ে এর অংশীদার দেশগুলোর একটিতে।

পয়লা মার্চ থেকে আবেদন শুরু হয়েছে যা চলবে আগামী উনিশে এপ্রিল পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭ টি দেশের সাংবাদিকগণ এখানে অনলাইন ফরম লিংক https://form.jotform.com/210472443345349 পূরণ করে আবেদন করতে পারবেন। প্রতিটি ক্যাটাগরিতে বিজয়ী ১০ হাজার ইউরো পুরস্কার পাবেন এবং উদীয়মান সেরা সাংবাদিক ক্যাটাগরির বিজয়ী কে  মিডিয়া পার্টনার হিসেবে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হবে।

যার নামে এই পুরস্কার কে এই লোরেঞ্জো নাতালি , জন্ম ১৯২২ সালের ২ অক্টোবর ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে। ইতালির একজন দক্ষ রাজনীতিবিদ ছিলেন তিনি।  ১৯৭৭ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত তিনি ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের একজন প্রাক্তন কমিশনার এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা গণতন্ত্র মানবাধিকার ও উন্নয়নের কট্টর একজন রক্ষক। ইউরোপীয় ইউনিয়নের দায়িত্বে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করেছেন। তার কর্মকাণ্ডের প্রতি সম্মান জানিয়ে প্রতিবছর লরেঞ্জো নাতালি মিডিয়া পুরস্কার প্রদান করা হয়। তিনি মৃত্যুবরণ করেন ১৯৮৯ সালের ২৯ শে আগস্ট ইতালির রোম শহরে।

অন্যান্য সংবাদঃ

ফরিদ আহমেদ পাটওয়ারি

ফরিদ আহমেদ পাটওয়ারি

আমি প্রবাসী বাংলাদেশী হিসেবে পর্তুগালে বসবাস করছি। এখানে জীবন-জীবিকার পাশাপাশি পর্তুগিজ এবং বাংলাদেশ কমিউনিটিতে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে যুক্ত রয়েছি। পর্তুগালের পথচলা ২০১৫ সালে তবে এর পূর্বে বাংলাদেশে একটি স্বনামধন্য রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাহী হিসেবে কর্মরত ছিলাম। শিক্ষাজীবন ঢাকা কলেজ থেকে ২০০৪ সালে স্নাতক ডিগ্রি এবং আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং বলাখাল জে এন হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক । বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট থেকে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পোস্ট গ্রাজুয়েট কোর্স তাছাড়া শিক্ষাজীবন এবং কর্মজীবনে হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট, ব্যবস্থাপনা, আইটি সম্পর্কিত বিভিন্ন স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে যুক্ত ছিলাম। ২২ বছরের কর্মজীবন কেটেছে মিডিয়া, হোটেল ম্যানেজমেন্ট, আইটি,  সেলস এন্ড মার্কেটিং এবং মার্চেন্ডাইজার হিসেবে। ফটোগ্রাফি, লেখালেখি, ভ্রমণ এবং টেকনোলজির প্রতি আগ্রহ রয়েছে শখ ও বলা যায়। এরমধ্যে লেখালেখিটা শক্ত হাতে ধরেছি, সুন্দর একটা পরিবর্তন এর আশায়। জীবনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সুন্দর এবং শান্তিপূর্ণ পৃথিবী গঠনে মানুষের সহযোগিতায় কাজ করে যাওয়া।

Related Posts

Next Post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

I agree to the Terms & Conditions and Privacy Policy.

ফেসবুকে ইউরোপ বাংলা