Friday, এপ্রিল ১২, ২০২৪

কভিড-১৯ টিকার জন্য কমবয়সিদের হয়তো ২০২২ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে (WHO)

ইউরোপ বাংলা ডেস্কঃকরোনার টিকার জন্য সুস্থ সবল কমবয়সিদের হয়তো ২০২২ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এমনটাই জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। টিকা তৈরি হলে সংক্রমিতরা ছাড়াও অগ্রাধিকার পাবেন স্বাস্থ্যকর্মী বা এই মহামারীর যুদ্ধে যাঁরা একেবারে সামনে থেকে লড়াই করছেন। বয়স্কদেরও এই টিকা আগে দেওয়া উচিত বলে মনে করেন হু-র প্রধান বৈজ্ঞানিক সৌম্যা স্বামীনাথন।

বিশ্ব জুড়ে করোনাভাইরাসের টিকা আবিষ্কারের কাজ চলছে জরুরিভাবে। এই মুহূর্তে কমপক্ষে ১২/১৪ টিকা ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পর্বে রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সামনের সারিতে থাকা জনসন অ্যান্ড জনসন বা অ্যাস্ট্রাজেনেকোর ট্রায়ালের সময় তাতে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন দু’একজন স্বেচ্ছাসেবক। করোনার ওই টিকাগুলির সুরক্ষা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ফলে চলতি বছরেই বাজারে করোনার টিকা আসা নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছে। এই আবহে জনসাধারণের কাছে দ্রুত টিকা পৌঁছে দেওয়া কার্যত অসম্ভব বলে মনে করছেন বৈজ্ঞানিকদের একাংশ। ফলে টিকা আবিষ্কার হলেও সমাজের কোন অংশের কাছে তা আগে পৌঁছনো উচিত, তা নিয়ে কঠিন সিদ্ধান্তের মুখে হু-সহ বিশ্বের নানা দেশ।

টিকা ছাড়া ‘হার্ড ইমিউনিটি’-র মাধ্যমে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সায় নেই হু-র। সংক্রমণ রুখতে ‘হার্ড ইমিউনিটি’-তে ভরসা রাখলে প্রাণহানিরও আশঙ্কা থাকে। এ নিয়ে সৌম্যা বলেন, “অনেকে ‘হার্ড ইমিউনিটি’-র কথা বলেন। উল্টে আমাদের প্রতিষেধকের মাধ্যমে সেই লক্ষ্যে পৌঁছনোর কথা বলা উচিত। অন্তত ৭০ শতাংশের মধ্যে প্রতিষেধক দিয়ে সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙার কথা ভাবতে হবে।”

যত দিন পর্যন্ত ‘হার্ড ইমিউনিটি’ লাভ করা যায়, তত দিন মাস্ক পরা, বার বার হাত ধোওয়া বা শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা-সহ অন্যান্য স্বাস্থ্য বিধি মেনে করোনাকে দূরে ঠেলে রাখায় জোর দিতে হবে বলেও মনে করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

আরও খবর পড়ুন:

ইউরোপ বাংলা

ইউরোপ বাংলা

একজন ফ্রিল্যান্স রাইটার, ব্লগার, এডুকেশনাল কনসালট্যান্ট, ক্যারিয়ার কাউন্সিলর, উদ্যোক্তা।

Related Posts

Next Post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

I agree to the Terms & Conditions and Privacy Policy.

ফেসবুকে ইউরোপ বাংলা