Tuesday, এপ্রিল ২৩, ২০২৪

যুক্তরাজ্য নিরাপদ ভ্রমন ১০ টি দেশের তালিকায় পর্তুগালের স্থান অনিশ্চিত!

ইউরোপ বাংলা ডেস্কঃ যুক্তরাজ্যের সরকার কোভিড১৯ দ্বারা সংক্রমিত কম ঝুঁকিপূর্ণ  বর্তমানে যে অবস্থায় রয়েছে সে দেশগুলোর একটি তালিকা তৈরি করছে উক্ত তালিকায় পর্তুগালের স্থান অনিশ্চত।ব্রিটিশ দৈনিক টাইমস অনুসারে বরিস জনসনের সরকার ব্রিটিশ পর্যটকের দেশে ফেরত আসার পর ১৪ দিনের হোম করেনটাইন থাকতে হবে না এমন ১০ টি দেশের তালিকা তৈরি করছে।

করোনা ভইরাসই সংক্রমণের স্বল্পমাত্রার কারণে ইতালি, ফ্রান্স,  স্পেন, গ্রিস এবং তুরস্কের মতো দেশগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, গত কিছুদিন যাবত পর্তুগালের পর্যটন নগরী আলগার্ভ ও রাজধানী লিসবন মেট্রো পলিটন এরিয়ায়  ব্যাপক সংক্রমনের কারণে এ বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

ব্রিটিশ সরকারের সূত্র পত্রিকাটিকে জানিয়েছে যে অন্যান্য দেশের সাথে ভ্রমণ করিডোরের গ্রহণের ক্ষেত্রে কভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধির মানদন্ডে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। প্রতিবছর যুক্তরাজ্য থেকে কমপক্ষে ২.৫   মিলিয়ন ব্রিটিশ নাগরিক পর্তুগাল ভ্রমণ করে এবং এদের বেশির ভাগ অংশই পর্যটন নগরী আলগার্ভে।

পর্তুগালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আগুষ্টা সান্তোস সিলভা জুনের প্রথম দিকে জানিয়েছিলেন যে ব্রিটিশ পর্যটকের কে পর্তুগালে ভ্রমণের জন্য ব্রিটিশ সরকারের সাথে একটি আলোচনা হচ্ছে যা এই মাসের শেষ নাগাদ চূড়ান্ত হবে।

গত শনিবার যুক্তরাজ্যে অবস্থিত পর্তুগালের রাষ্ট্রদূত মানুয়েল লবো আনটোনেস এ বিষয়ে এক প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন যে আমরা মনে করি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং পূর্বের মতো যতটা সম্ভব ব্রিটিশ নাগরিককে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা খুশি হবো।

আরো পড়ুন   –  পর্তুগালের লিসবনে ২৩শে জুন থেকে সন্ধ্যা ৮ টায় বন্ধ হচ্ছে দোকানপাট!

গত ৮ ই জুন থেকে ব্রিটিশ নাগরিক সহ কেউ যদি যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করে তাহলে তাকে বাধ্যতামূলক ১৪ দিন হোম কোরেনটাইন থাকতে হবে সম্ভাব্য করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধ করার জন্য। এ নিয়ম না মানলে জরিমানার বিধান রয়েছে।

উল্লেখ্য যে ২৩ শে জুন  পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে ৩ লক্ষ ৬ হজার ২১০ জন আক্রান্ত হয়েছে, ৪২ হাজার ৯২৭ জন মৃত্যুবরণ করেছে সংক্রমণে পঞ্চম হলেও মৃত্যুর দিক থেকে  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রাজিলের পর  তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাজ্য।

বিষয়টি যুক্তরাজ্যে অবস্থিত পর্তুগাল প্রবাসী এবং পর্তুগালের ভ্রমণকারী ব্রিটিশ নাগরিকদের জন্য হতাশাব্যঞ্জক হলেও যেহেতু ইউরোপের অন্যান্য দেশের চেয়ে বর্তমানে যুক্তরাজ্যে সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার বাড়ছে সে কারণেই বরিস জনসনের সরকার ভেবেচিন্তে পদক্ষেপ নিচ্ছে।

 

আরও খবর

ফরিদ আহমেদ পাটওয়ারি

ফরিদ আহমেদ পাটওয়ারি

আমি প্রবাসী বাংলাদেশী হিসেবে পর্তুগালে বসবাস করছি। এখানে জীবন-জীবিকার পাশাপাশি পর্তুগিজ এবং বাংলাদেশ কমিউনিটিতে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে যুক্ত রয়েছি। পর্তুগালের পথচলা ২০১৫ সালে তবে এর পূর্বে বাংলাদেশে একটি স্বনামধন্য রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাহী হিসেবে কর্মরত ছিলাম। শিক্ষাজীবন ঢাকা কলেজ থেকে ২০০৪ সালে স্নাতক ডিগ্রি এবং আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং বলাখাল জে এন হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক । বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট থেকে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পোস্ট গ্রাজুয়েট কোর্স তাছাড়া শিক্ষাজীবন এবং কর্মজীবনে হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট, ব্যবস্থাপনা, আইটি সম্পর্কিত বিভিন্ন স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে যুক্ত ছিলাম। ২২ বছরের কর্মজীবন কেটেছে মিডিয়া, হোটেল ম্যানেজমেন্ট, আইটি,  সেলস এন্ড মার্কেটিং এবং মার্চেন্ডাইজার হিসেবে। ফটোগ্রাফি, লেখালেখি, ভ্রমণ এবং টেকনোলজির প্রতি আগ্রহ রয়েছে শখ ও বলা যায়। এরমধ্যে লেখালেখিটা শক্ত হাতে ধরেছি, সুন্দর একটা পরিবর্তন এর আশায়। জীবনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সুন্দর এবং শান্তিপূর্ণ পৃথিবী গঠনে মানুষের সহযোগিতায় কাজ করে যাওয়া।

Related Posts

Next Post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

I agree to the Terms & Conditions and Privacy Policy.

ফেসবুকে ইউরোপ বাংলা