Tuesday, এপ্রিল ২৩, ২০২৪

পর্তুগালের সামরিক হাসপাতালেও করোনা আক্রান্ত রোগী ভর্তি শুরু!

ইউরোপ বাংলা ডেস্কঃপর্তুগালের সারা দেশজুড়ে সংক্রমণ কমতির দিকে থাকলেও লিসবন মেট্রোপলিটন এরিয়া তে সংক্রমণ দিন দিন বেড়েই চলেছে সে কারণে করোনা সংক্রমিত রোগীদের জন্য লিসবন অঞ্চলের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সরকারের নিকট দুটি হাসপাতাল কোভিড ১৯ সংযুক্ত করার জন্য আহ্বান জানালে এর অংশ হিসেবে বেলেঈ মিলিটারি হসপিটালটি কভিড-১৯ মিলিটারি সাপোর্ট ইউনিট নামে সাজানো হয়, গত  ১৭ ই জুন প্রধানমন্ত্রী আন্তোনিও কস্তা তিন জন রোগী স্থানান্তরের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

সেন্ট্রাল হসপিটাল ইউনিভার্সিটি লিসবন নর্থ প্রায় তাদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে সক্ষমতার সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছাতে চলেছে তবে তাদের এখনো পর্যাপ্ত পরিমাণে বেড রয়েছে।

একদল প্রশিক্ষিত ডাক্তার,  নার্স স্বাস্থ্যকর্মীর নিয়ে দুই সেট আলাদা টিম গঠন করা হয়েছে সার্বক্ষণিক ২৪ ঘন্টা এবং সপ্তাহে সাত দিন সেবা নিশ্চিত করবে, উক্ত টিম দুটি আধুনিক প্রযুক্তিগত যোগ্যতা  এবং সর্বোচ্চ মেধা সম্পন্ন ব্যক্তিত্বের দ্বারা গঠন করা হয়েছে তারা ইতিমধ্যেই কার্যকরভাবে স্বাস্থ্যবিধি দ্বারা প্রশিক্ষিত এবং কোভিড-১৯ মিলিটারি সাপোর্ট সেন্টার এর সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার যোগ্য

তবে এটি ব্যাকআপ সাপোর্ট হিসেবে কাজ করবে যখন আবার অবস্থা স্বাভাবিক হবে তখন এটি আগের অবস্থানে ফিরে আসবে।

মিনিস্ট্রি অফ ডিফেন্স এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, গত মার্চে যখন মহামারী পর্তুগালে আঘাত হেনেছে তখন থেকেই এমডি এন এবং প্রতিরক্ষা বাহিনী তাদের সক্ষমতা আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল বর্তমানে উদ্দেশ্য সম্পাদনের জন্য। সেনাবাহিনী এই অবকাঠামোটি এমন ভাবে তৈরি করেছিল যাতে জরুরি ভিত্তিতে সাড়া দিতে পারে এবং জাতীয় স্বাস্থ্য সেবাকে সহায়তা করতে পারে।

নিঃসন্দেহে একটি চৌকস প্রতিরক্ষা কৌশল জাতীয় বিপর্যয়ের নতুন করে দেশকে সহযোগিতা করার জন্য নিজেদেরকে প্রস্তুত রাখা।উল্লেখ্য যে রাজধানী লিসবনে প্রতিদিন সংক্রমণ বাড়তে থাকায় , নতুন আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাসবা নিশ্চিত করার জন্য পূর্ব পরিকল্পনা হিসেবে পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা হচ্ছে, এটা নিঃসন্দেহে প্রধানমন্ত্রী আন্তোনিও কস্তার সরকার প্রশংসার দাবি রাখে। গত ২৪ ঘন্টায় ৪১৭ জন আক্রান্ত হয়েছে এরমধ্যে ৩২৫ জনই লিসবন মেট্রোপলিটন এরিয়া অন্তর্গত।

 

আরও খবর

ফরিদ আহমেদ পাটওয়ারি

ফরিদ আহমেদ পাটওয়ারি

আমি প্রবাসী বাংলাদেশী হিসেবে পর্তুগালে বসবাস করছি। এখানে জীবন-জীবিকার পাশাপাশি পর্তুগিজ এবং বাংলাদেশ কমিউনিটিতে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে যুক্ত রয়েছি। পর্তুগালের পথচলা ২০১৫ সালে তবে এর পূর্বে বাংলাদেশে একটি স্বনামধন্য রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাহী হিসেবে কর্মরত ছিলাম। শিক্ষাজীবন ঢাকা কলেজ থেকে ২০০৪ সালে স্নাতক ডিগ্রি এবং আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং বলাখাল জে এন হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক । বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট থেকে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পোস্ট গ্রাজুয়েট কোর্স তাছাড়া শিক্ষাজীবন এবং কর্মজীবনে হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট, ব্যবস্থাপনা, আইটি সম্পর্কিত বিভিন্ন স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে যুক্ত ছিলাম। ২২ বছরের কর্মজীবন কেটেছে মিডিয়া, হোটেল ম্যানেজমেন্ট, আইটি,  সেলস এন্ড মার্কেটিং এবং মার্চেন্ডাইজার হিসেবে। ফটোগ্রাফি, লেখালেখি, ভ্রমণ এবং টেকনোলজির প্রতি আগ্রহ রয়েছে শখ ও বলা যায়। এরমধ্যে লেখালেখিটা শক্ত হাতে ধরেছি, সুন্দর একটা পরিবর্তন এর আশায়। জীবনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সুন্দর এবং শান্তিপূর্ণ পৃথিবী গঠনে মানুষের সহযোগিতায় কাজ করে যাওয়া।

Related Posts

Next Post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

I agree to the Terms & Conditions and Privacy Policy.

ফেসবুকে ইউরোপ বাংলা