Tuesday, এপ্রিল ২৩, ২০২৪

পর্তুগালে IRS-2020 রিফান্ড কবে পাওয়া যাবে?

ইউরোপ বাংলা ডেস্কঃ  পর্তুগালে যারা বসবাস করেন তাদের  প্রত্যেককেই প্রতিবছর IRS সাবমিট করতে হয়, এবং কেউ যদি অতিরিক্ত ট্যাক্স পরিশোধ করে থাকলে, IRS সাবমিট করার পর একটি নির্দিষ্ট সময়ে পরিশোধকৃত অতিরিক্ত টেক্স  রিফান্ড বা ফেরত দেয়। তবে এই রিফান্ড পরিবারের সদস্য সংখ্যা এবং আয় এর উপর নির্ভর করে। IRS সাবমিট করার সময়ই দেখা যায় কত টাকা ফেরত বা রিফান্ড পাওয়া যাবে।
 এ বছর যারা IRS রিটার্ন গত পয়লা এপ্রিল থেকে শুরু হওয়ার পর IRS সাবমিট করেছেন এবং যাদের রিফান্ড ছিল, তবে সাবমিট করার ১৫/২০ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও রিফান্ড পাননি, তাদের অনেকেই দুশ্চিন্তায় আছেন রিফান্ড এর অর্থপ্রাপ্তির বিষয়ে। কেননা পূর্বের বছরগুলোতে সাবমিট করার সাধারণত ১৫ দিনের মধ্যে একাউন্টে জমা হতো।
এবছর বছর বর্তমান মহামারীর কারণে কারণে ফিন্যান্স এর সকল কর্মকর্তা ঘরে বসে অফিসের কাজ করেছেন, সেই কারণে সকল কার্যক্রম গুলো সমন্নয় করতে না পারায় IRS রিফান্ড অর্থ ফেরত এর ক্ষেত্রে কোন ধরনের নির্ধারিত সময় দেওয়া হয়নি।
অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন যে, ১.০২ মিলিয়ন রিফান্ড অর্ডার যার আর্থিক মূল্য মান ৮৭০ মিলিয়ন ইউরো,  আয়কর প্রদানকারীকে পরিশোধ করার জন্য প্রক্রিয়াধীন আছে এবং আগামী সপ্তাহের শেষ নাগাদ পরিশোধ করা হবে।
২০১৯ সালের আইআরএস ডিক্লারেশন গত পয়লা এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে এবং তার ৩০ শে জুন পর্যন্ত প্রদান করা যাবে। এবং ফিন্যান্স  যদি কারো রিফান্ড থাকে ৩১ শে আগস্ট এর মধ্যে ফেরত প্রদান করবেন।
সুতরাং যারা এখনো Reembolso/Refund/রিফান্ড এখনো পর্যন্ত পাননি দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই, সাধারণ সময়ের চেয়ে একটু সময় বেশি লাগছে যা আমাদের স্বাভাবিক জীবনের ক্ষেত্রে যেমনটা এলোমেলো হয়েছে এই কভিড- ১৯ মহামারীর প্রেক্ষাপটে।

পর্তুগালের আরো খবর – মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসা বা রেসিডেন্স দিয়ে পর্তুগাল প্রবেশে করণীয় :

পর্তুগালে ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়ার অনুমোদন দেননি প্রশাসন

পর্তুগালে রেস্টুরেন্টে, বার এবং খাবারের দোকানগুলোতে ক্লিন এন্ড সেফ সীল বাধ্যতামূলক

ইউরোপ বাংলা/এএফপিপি

ফরিদ আহমেদ পাটওয়ারি

ফরিদ আহমেদ পাটওয়ারি

আমি প্রবাসী বাংলাদেশী হিসেবে পর্তুগালে বসবাস করছি। এখানে জীবন-জীবিকার পাশাপাশি পর্তুগিজ এবং বাংলাদেশ কমিউনিটিতে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে যুক্ত রয়েছি। পর্তুগালের পথচলা ২০১৫ সালে তবে এর পূর্বে বাংলাদেশে একটি স্বনামধন্য রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাহী হিসেবে কর্মরত ছিলাম। শিক্ষাজীবন ঢাকা কলেজ থেকে ২০০৪ সালে স্নাতক ডিগ্রি এবং আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং বলাখাল জে এন হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক । বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট থেকে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পোস্ট গ্রাজুয়েট কোর্স তাছাড়া শিক্ষাজীবন এবং কর্মজীবনে হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট, ব্যবস্থাপনা, আইটি সম্পর্কিত বিভিন্ন স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে যুক্ত ছিলাম। ২২ বছরের কর্মজীবন কেটেছে মিডিয়া, হোটেল ম্যানেজমেন্ট, আইটি,  সেলস এন্ড মার্কেটিং এবং মার্চেন্ডাইজার হিসেবে। ফটোগ্রাফি, লেখালেখি, ভ্রমণ এবং টেকনোলজির প্রতি আগ্রহ রয়েছে শখ ও বলা যায়। এরমধ্যে লেখালেখিটা শক্ত হাতে ধরেছি, সুন্দর একটা পরিবর্তন এর আশায়। জীবনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সুন্দর এবং শান্তিপূর্ণ পৃথিবী গঠনে মানুষের সহযোগিতায় কাজ করে যাওয়া।

Related Posts

Next Post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

I agree to the Terms & Conditions and Privacy Policy.

ফেসবুকে ইউরোপ বাংলা